স্বপ্নের ঘরে ওঠার অপেক্ষায় মণিরামপুরের ভূমিহীনরা - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

রবিবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২১

স্বপ্নের ঘরে ওঠার অপেক্ষায় মণিরামপুরের ভূমিহীনরা

স্বপ্নের ঘরে ওঠার অপেক্ষায় মণিরামপুরের ভূমিহীনরা

মুজিববর্ষ উপলক্ষে যশোরের মণিরামপুরে ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত ১৯৯টি ঘরের কাজ শেষ পর্যায়ে। দ্রুত কাজ শেষ করতে জোর তৎপরতা চালাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন।

এদিকে আজ শনিবার সারা দেশের সাথে একযোগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মণিরামপুরের ঘরগুলো উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মণিরামপুরে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য এমপি, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান, সহকারী কমিশনার (ভূমি) পলাশ দেবনাথ, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ বায়েজিদ, বিভিন্ন ইউনিয়ের চেয়ারম্যানবৃন্দ এবং উপকারভোগীরা।

তবে উদ্বোধন হলেও এখনি স্বপ্নের ঠিকানায় যেতে পারছেন না উপকারভোগীরা। নির্মাণ কাজ বাকি থাকায় আরো কিছুদিন তাদের অপেক্ষা করতে হবে।

মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ জাকির হাসান বলেন, আজ সকাল পৌনে দশটায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে মণিরামপুরের ১৯৯ টি ঘর উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী। আমরা ভাল করে ঘরগুলো নির্মাণ করছি। উপকারভোগীদের কাছে ঘর হস্তান্তর করতে কতদিন সময় লাগবে তা এখনি বলা যাচ্ছে না।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু আব্দুল্লাহ বায়েজিদ বলেন, মাছনা এলাকায় ৫৬টি, হরিদাসকাঠির হাজরাইলে ৫৪টি, কাশিমনগরের শিরিলি মৌজায় ২৯টি, মশ্মিমনগরের চাকলায়১৮টি, হরিহরনগরের মধুপুরে ২৫টি এবং পৌরসভার হাকবায় ৫টি, গাংড়ায় ৮টি ও তাহেরপুর মৌজায় ৬টি ঘর নির্মাণের কাজ শেষের দিকে। মাছনায় আটটি ঘরের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। বাকি ১৯১টির প্লাস্টার ও রঙের কাজ বাকি রয়েছে।

মুজিববর্ষ উপলক্ষে মণিরামপুরে ২৬২টি ঘর পাচ্ছেন ভূমিহীনরা। প্রতিটি ঘরে থাকছে সংযুক্ত টয়লেট, রান্নাঘর ও বারান্দাসহ দুইটি কক্ষ। সবগুলো ঘরের কাজ শেষে ভূমিহীনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে, বলেন পিআইও। ঘরের কাজ শেষ হতে মার্চের মাঝামাঝি সময় লাগবে বলে ধারণা তার।

সম্প্রতি সরকারি ঘরপ্রাপ্ত উপকারভোগীদের মাঝে দুই শতক করে খাস জমি বন্দোবস্তের কাজ শেষ হয়েছে। ইতিমধ্যে লটারির মাধ্যমে হাজরাইল এলাকার ঘরগুলো উপকারভোগীদের মধ্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

পলি বেগম নামে স্বামী পরিত্যাক্তা এক নারী বলেন, মাছনা মৌজায় আমি একটি ঘর পাইছি। জমি রেজিস্ট্রি হয়ে গেছে। এখন নামজারি ও ডিসিআর কাটতে এক হাজার ৬৫০ টাকা লাগবে। এসব হয়ে গেলে আমরা ঘরে উঠতে পারব।

এদিকে কাশিমনগর এলাকায় নিন্মমানের ইট দিয়ে ঘর নির্মাণের বিষয়ে সম্প্রতি সরেজমিন সংবাদ প্রকাশিত হয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে। এরপর তৎপর হন উপজেলা প্রশাসন। পরে সব এলাকায় ভালমানের ইট দিয়ে ঘরের কাজ চলতে দেখা গেছে

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন