পৌর নির্বাচনকে ঘিরে পোস্টার-লিফলেটে ছেয়ে গেছে শহর - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

বৃহস্পতিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০২১

পৌর নির্বাচনকে ঘিরে পোস্টার-লিফলেটে ছেয়ে গেছে শহর

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে নির্বাচনী উত্তাপ। কুলাউড়া পৌরসভা নির্বাচনের বাকি মাত্র পাঁচদিন। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে সর্বত্র চলছে নির্বাচনী আলোচনা। নির্বাচনকে সামনে রেখে চারিদিকে সাঁজ সাঁজ রব। পছন্দের প্রার্থীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে চলছে ব্যাপক প্রচারণা।

প্রার্থীরা ঘুরছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে, দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি। নির্বাচিত হলে আধুনিক পৌরসভা গড়া ও সব ধরনের নাগরিক সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তারা। উঠান বৈঠক, চা-চক্র ও কুশলাদি বিনিময়সহ সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভোট প্রার্থনা করছেন মানুষের কাছে। ভোটারদের মধ্যে নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

রোববার কুলাউড়া পৌর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, নির্বাচনকে ঘিরে শহর ছেয়ে গেছে পোস্টারে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্ট, অলিগলি, পাড়া-মহল্লায় প্রার্থীদের সাদাকালো বিভিন্ন ডিজাইনের পোস্টার টাঙানো হয়েছে। এছাড়া মাইক দিয়ে প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চলছে।

কুলাউড়া শহরের অফিস, দোকানপাট, বাসা-বাড়িতে রয়েছে লিফলেট ও পোস্টারের ছড়াছড়ি। শহরে পোস্টারবিহীন কোনো সড়ক নেই। কার চেয়ে কে বেশি পোস্টার লাগাবে- তা নিয়ে যেন চলছে প্রতিযোগিতা। শহরজুড়ে লিফলেট ও পোস্টারের ছড়াছড়ি।

এ ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১৬ জানুয়ারি। এবারের নির্বাচনে মেয়র পদে নৌকা প্রতীকে অধ্যক্ষ সিপার উদ্দিন আহমদ, ধানের শীষ প্রতীকে সাবেক মেয়র কামাল উদ্দিন আহমদ জুনেদ, নারিকেল গাছ প্রতীকে বর্তমান মেয়র শফি আলম ইউনুস এবং জগ প্রতীকে লড়ছেন শাজান মিয়া। এছাড়া কাউন্সিলর পদে ৩৩ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

৩ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার ফরিদ আহমদ বলেন, প্রতিদিন মাইক দিয়ে প্রার্থীদের পক্ষে প্রচারণা চলছে। এছাড়া পোস্টার দিয়ে পুরো শহর ঢেকে ফেলা হয়েছে।

৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার সুমন আহমদ বলেন, বিদ্যুতের পিলার ও বিল্ডিংয়ে পোস্টার লাগানো হয়েছে। যার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের নাম ঢেকে গেছে। নির্বাচনকে ঘিরে আমেজ বিরাজ করছে। বিশেষ করে নৌকার প্রার্থীর পক্ষে প্রতিদিন মোটরসাইকেল দিয়ে শোডাউন হচ্ছে বলে অন্য আরেকজন ভোটার জানান।

আরেকজন ভোটার রুমেল আহমদ বলেন, যে প্রার্থী আমাদের জন্য কাজ করবে আমরা তাকেই ভোট দেব। তবে অধিকাংশ সময় নির্বাচিত হওয়ার পর নেতাদেরকে আর খুঁজে পাওয়া যায় না।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন