পাঁচ মিনিটে হল্টেড ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, বিক্রেতা উধাও - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

বুধবার, ২ ডিসেম্বর, ২০২০

পাঁচ মিনিটে হল্টেড ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং, বিক্রেতা উধাও

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরুর ৫ মিনিটের মধ্যে শেয়ার দাম সর্বোচ্চ বেড়ে হল্টেড হয়েছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং। দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করলেও যাদের কাছে কোম্পানিটির শেয়ার আছে তাদের কেউ বিক্রি করতে রাজি হচ্ছেন না। ফলে কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রেতা উধাও হয়ে গেছে।

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করা ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার আজ বুধবার থেকে শেয়ারবাজারে লেনদেন শুরু করে। শুরুতে ১৩ টাকা করে কোম্পানিটির ২৫ হাজার ১০৩টি শেয়ারের কেনার প্রস্তাব আসে। তবে কেউ এ দামে বিক্রি করতে রাজি হননি।

এরপর ১৩ টাকা ৫০ পয়সা, ১৪ টাকা, ১৪ টাকা ১০ পয়সা, ১৪ টাকা ২০ পয়সা, ১৪ টাকা ৫০ পয়সা, ১৪ টাকা ৬০ পয়সা, ১৪ টাকা ৮০ পয়সা, ১৪ টাকা ৯০ পয়সা এভাবে বেড়ে সর্বশেষ ১৫ টাকা করে ৫ কোটি ৬৬ লাখ ৫৮ হাজার ২৩৫টি শেয়ার কেনার প্রস্তাব আসে।

এতেই দাম বাড়ার সর্বোচ্চ সীমা স্পর্শ করে। তবে এরপরও কোনো বিনিয়োগকারী তাদের কাছে থাকা কোম্পানিটির শেয়ার বিক্রি করতে রাজি হননি। ফলে ক্রেতা থাকলেও শেয়ারের বিক্রেতা শূন্য হয়ে পড়ে।

নিয়ম অনুযায়ী, শেয়ারবাজারে একটি কোম্পানি তালিকাভুক্ত হওয়ার পর লেনদেনের প্রথমদিন সর্বোচ্চ ৫০ শতাংশ পর্যন্ত দাম কমতে বা বাড়তে পারবে। সে কারণে আইপিওতে ১০ টাকা করে বিক্রি হওয়া ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিংয়ের শেয়ার দাম আজ সর্বোচ্চ ১৫ টাকা পর্যন্ত উঠার সুযোগ ছিল। ফলে ১৫ টাকার ওপরে কোন বিনিয়োগকারী শেয়ার কেনার প্রস্তাব দিতে পারেননি।

চলতি বছরের ২৬ আগস্ট বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) কোম্পানিটিকে আইপিও’র মাধ্যমে অর্থ উত্তোলনের অনুমোদন দেয়।

নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন নিয়ে আইপিওতে অভিহিত মূল্যে বা ১০ টাকা করে শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ৩০ কোটি টাকা সংগ্রহ করেছে ডমিনেজ স্টিল বিল্ডিং। এ টাকা ভবন নির্মাণ, ইলেকট্রিক্যাল ইনস্ট্রলেশন, প্লান্ট অ্যান্ড মেশিনারিজ ক্রয় ও আইপিও খরচ করবে কোম্পানিটি।

আজ বুধবার শেয়ারবাজারে লেনদেনে শুরুর আগেই কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদ ২০২০ সালের ৩০ জুন সমাপ্ত বছরের জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ২ শতাংশ নগদ ও ৮ শতাংশ বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে।

অর্থাৎ কোম্পানিটির শেয়ারহোল্ডাররা লভ্যাংশ হিসেবে ১০০টি শেয়ারের বিপরীতে নগদ ২০ টাকা এবং ৮টি সাধারণ শেয়ার পাবেন।

লভ্যাংশের বিষয়ে কোম্পানিটির পরিচালনা পর্ষদের নেয়া সিদ্ধান্ত শেয়ারহোল্ডারদের অনুমোদনের জন্য বার্ষিক সাধারণ সভার (এজিএম) তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে আগামী ৩১ ডিসেম্বর। আর রেকর্ড ডেট নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর।

সমাপ্ত হিসাব বছরে কোম্পানিটি শেয়ারপ্রতি মুনাফা (ইপিএস) করেছে ১ টাকা ৪২ পয়সা এবং শেয়ারপ্রতি সম্পদ (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ২১ টাকা ২৩ পয়সা।

কোম্পানিটিকে পুঁজিবাজারে আনতে ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে কাজ করেছে শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন