বাবার ওপর প্রতিশোধ নিতে মেয়েকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

শনিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০২০

বাবার ওপর প্রতিশোধ নিতে মেয়েকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
৬ ডিসেম্বর) দুপুরে তাদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এর আগে শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার নসরতপুর গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তারা ঘটনায় জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছে। পরে তাদের ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়।

গ্রেফতাররা হলেন- উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের নসরতপুর গ্রামের তোজাম্মেল হকের ছেলে বাপ্পি আহম্মেদ (২২), দলিল উদ্দিন তালুকদারের ছেলে কামাল পাশা (৩৪), সানোয়ার হোসেনের ছেলে শামীম রেজা (২২) ও সাহেব আলীর ছেলে লাবলু সেখ (২১)।

নিহত মাহি উম্মে তাবাচ্ছুম নসরতপুর গ্রামের বেলাল হোসেন খোকনের মেয়ে এবং পাঁচথুপি-নসরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ছিল।

পুলিশের দাবি, নিহত তাবাচ্ছুমের বাবা বেলাল হোসেন খোকনের ওপর প্রতিশোধ নিতেই শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ হত্যা করে তারা।

শনিবার (২৬ ডিসেম্বর) বগুড়া জেলা পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভূঁইয়া সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গ্রেফতার আসামিরা ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার দায় স্বীকার করেছে। আসামিরা জানিয়েছে, প্রায় পাঁচ বছর আগে নিহত শিশু তাবাচ্ছুমের বাবা বেলাল হোসেন খোকন গ্রেফতার বাপ্পীর দুই বোনকে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছিল বলে অভিযোগ ওঠে। তখন থেকেই বাপ্পী বেলালের ওপর প্রতিশোধ নিতে মরিয়া ছিল। গত ১৪ ডিসেম্বর নসরতপুরের জান্নাতুল ফেরদৌস কবরস্থানে ওয়াজ মাহফিলে অনুষ্ঠিত হয়। দাদা-দাদির সাথে সেখানে গিয়েছিল তাবাচ্ছুম। দাদা-দাদির অগোচরে একপর্যায়ে তাকে বাদাম কিনে দেয়ার জন্য বাইরে নিয়ে যায় বাপ্পীসহ অন্যরা। অনেক খোঁজাখুজি করেও তাকে পাচ্ছিল না পরিবার। পরে রাত ১টার দিকে মাহফিলস্থল থেকে ২০০ মিটার দূরে বাঁশবাগান থেকে তার ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ১৫ ডিসেম্বর ধুনট থানায় মামলা করে তাবাচ্ছুমের বাবা বেলাল। মামলার এজাহারে আসামিদের নাম উল্লেখ ছিল না।

এসপি আলী আশরাফ ভূঁইয়া জানান, আসামিরা জানিয়েছে- বাদামের লোভ দেখিয়ে তাবাচ্ছুমকে তারা পার্শ্ববর্তী হাজী কাজেম জোবেদা টেকনিক্যাল কলেজ মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়। তার হাত-পায়ের আঙুল প্লাস দিয়ে টেনে তুলে মরদেহ বিকৃত করার চেষ্টা করে। পরে পাশের জঙ্গলে মরদেহ ফেলে পালিয়ে যায় তারা।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন