প্রোপার্টি বিজনেস কোম্পানির প্রতারনার শিকার লন্ডন প্রবাসী - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০

প্রোপার্টি বিজনেস কোম্পানির প্রতারনার শিকার লন্ডন প্রবাসী

প্রোপার্টি বিজনেস কোম্পানির প্রতারনার শিকার লন্ডন প্রবাসী
সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
জমির পরিমান ০.১০ শতক, মৌজা: সুলতানপুর চক ৪নং খাদিমপাড়া ইউপি, মীরেরচক, গাজী বুরহান উদ্দিন রোড সংলগ্ন।সে:জ:দাগ ২৬৮ খতিয়ান ৯৫ জে এল ৮৪ মোট জমির পরিমান ২৬ শতক।ক্রেতা: আখতার হোসেন কাওছার পিতা হাজী আব্দুর রকিব। বিক্রেতা: প্রোপার্টি বিজনেস প্রাইভেট লিমিটেড এর পক্ষে পরিচালক এডভোকেট মোঃ জিয়া উদ্দীন চৌঃনাদের। সাক্ষী১: নিজাম উদ্দীন (পরিচালক) পিতা মৃত
মাওঃ গিয়াস উদ্দীন।সাক্ষী২: আবুল বশর (পরিচালক) পিতা মৃত আবুল হাশেম। সাক্ষী৩: তফজ্জুল হোসেন পিতা মৃত আব্দুল গফুর। ক্রয়সুত্রে
মালিক মোছাঃ ছালেহা বেগম এর আমমোক্তার ও প্রোপার্টি বিজনেস প্রাঃ লিঃ এর পরিচালক এডভোকেট মোঃ জিয়া উদ্দীন চৌঃ নাদের পিতা মৃত মোঃ গিয়াস উদ্দীন চৌঃ গত ১২/১২/২০১৩ ইং সিলেট সাব রেজিষ্ট্রী অফিসে ক্রেতা বিক্রেতা ও স্বাক্ষীগন স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে ১২০৮৮ নং দলিলটি সম্পাদন করেন। সেই থেকে ক্রেতা জায়গাটি ভোগ দখল করিয়া আইসাবস্তায় ছয় বৎসর পর গোপনে জালিয়াতির মাধ্যমে গত সেপ্টেম্বরে ও নভেম্বরে একই দাগ খতিয়ানে একই তফশীলে আরো দুইটি পৃথক জাল দলিল সৃজন করেন ঐ
কোম্পানির বিক্রেতা আবুল বাশার এনামুল হক ও নিজাম উদ্দীনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করেন কাওছার আহমদ। দলিল করার পরে কাজকর্ম বা প্রচার প্রকাশ না করে, করোনাকালীন সময়ে আমি দেশে আসব না মনে করে তারা তড়িঘড়ি করে ওয়াল করার চেষ্টাকরে।

ইতিমধ্যে জায়গার প্রকৃত মালিক আখতার হোসেন কাওছার দেশে চলে এসে পরিদর্শনে গিয়ে দেখতে পান কাজের জন্য মালামাল জড় করা হচ্ছে। আশেপাশের সবাইকে জিজ্ঞাসা করে কোন সদুত্তর না পেয়ে, প্রতিবেশী গেদাই মিয়াকে ফোন করে জানতে পারেন জায়গাটি কোম্পানির
পরিচালকগন আবার ও নাকি বিক্রি করেছে । উল্লেখ্য গেদাই মিয়া ঐ জায়গাটিতে দীর্ঘদিন ধরে ইট বালু রেখে ব্যবসা করতেন। সেই সুবাদে আখতার হোসেন কাওছারের কাছে উনার নাম্বারটা ছিল। তিনি আরো জানতে পারেন গেদাই মিয়ার পুত্রাকে দিয়ে (মেয়ের দেবর) সাজু আহমদের নামে একটা দলিল ও আব্দুল মালিক ও সালমা বেগমের নামে আরেকটা দলিল সৃজন করেন।প্রবাসী ক্রেতা আখতার হোসেন কাওছার কোম্পানির পরিচালক এনামুল হকের কাছে ও কুদরতউল্লাহ মার্কেটে (এমদাদিয়া লাইব্রেরীতে) কোং পরিচালক নিজাম উদ্দীনের কাছে যান কিন্তু উনারা কোন সদুত্তর দেন নি।ক্রেতা আখতার হোসেন কাওছার জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হলে সেখানে বেশ রাগান্বিত হলে কুদরতউল্লাহ মার্কেটের সবাই উনাকে পাশের দোকানে নিয়ে বসে নিজামুদ্দীনকে ডেকে এনে পরের দিন বৈঠকে বসার অনুরোধ করেন। দুনুপক্ষ তা মানেন এবং নিষেধ করা হয় নালিশা ভুমিতে কোন কাজ যাতে না হয়।পরের দিন সাজু গংদের মিস্ত্রী কাজ শুরু করে এবং ট্রাক ভর্তি মাটি নিয়ে আসলে দুনুপক্ষের মধ্যে প্রচন্ড ঝগড়া বাধে, বিকালে নির্ধারিত বৈঠকে সালিশানগনের কাছে বিক্রয়কারী কোম্পানীর পরিচালকগন অকপটে বিষয়টি স্বীকার করেন যে জায়গাটি তাহারা টাকার প্রয়োজনে ২ খন্ডে তিন জনের নামে পৃথক দলিল করেন। সালিশানগন কাজ যখন বন্ধ করতে সক্ষম হচ্চেন না তখন তাদের আসামী করে আখতার হোসেন কাওছার শাহপরান থানায় ১০.০৯.২০ইং তারিখে একটি জিডি করেন।জিডির নোটিশ পাওয়ার পরও সাজু গংরা তারা কাজ বন্ধ করেনি বরং আরো বেপরোয়া হয়ে উঠে। সালিশানগন সবাইকে নিয়ে চারটি বৈঠক করেও কোন সমাধানে আসতে পারেন নি যদিও বিক্রয়কারী কোম্পানী স্বীকার করে বলছে তারা একাজ করেছে। ক্রেতা ২. আব্দুল মালিক ও সালমা বেগম বলেছেন আমরা কোম্পানি থেকে ২০১৯ সালে (০.০৭শতক) কিনেছি, কিছু অংশ হয়ত আখতার হোসেন কাওছার সাহেবের আমাদের এরিয়ার ভিতর আছে তবে সাজুর কাছ থেকে উদ্ধার হলে আমরা মাপ দিয়ে ছেড়ে দিব। উল্লেখ্য অনুমানিক ০.০৪ শতক পরিমান জায়গা
উনি দখল করতেছেন।আব্দুল মালিক ও তার স্ত্রীর নামের দলিলের বিক্রেতা আবুল বশর যিনি ঐ কোম্পানির একজন পরিচালক এবং আখতার হোসেন কাওছার সাহেবের দলিলের স্বাক্ষী ছিলেন।ক্রেতা আব্দুল মালিক জানতেন এটা অন্যের জমি তাই ক্রয়কালে ১লক্ষ টাকার সিকিউরিটি চুক্তি ও করেন পরবর্তিতে যদি কোন ঝামেলা আসে তাহলে বিক্রেতা দিতে বাধ্য থাকিবেন।

ক্রেতা ৩. সাজু আহমদ বলেছেন আমি টাকা দিয়ে একই দাগে আড়াই শতক জায়গা কিনেছি কাজ
চালাব, সালিশানের বা পুলিশের কথায় অথবা আদালতের নির্দেশে আমি কাজ বন্ধ করব না।তিনি গায়ের জোরে টাকার জোরে রাতদিন কাজ করাবার চেষ্টায় লিপ্ত।উল্লেখ্য তিনি কোম্পানির পরিচালকগনের যোগসাজশে মুলরেকর্ডিও মালিক মোছাঃ ছালেহা বেগমকে দিয়ে দলিল সম্পাদন করান অথচ এখনো এডভোকেট জিয়া উদ্দীন চৌঃ নাদের এর নামে অখন্ডনীয় আমমোক্তারনামা বহাল রয়েছে। উক্ত অখন্ডনীয় আমমোক্তার নামা বাতিল করার পুর্বে ছালেহা বেগমের বিক্রী করার কোন অবস্থায় বৈধতা নাই বলে জানান ।

কোম্পানির পরিচালক এনামুল হক অবৈধভাবে
অন্যের জায়গা সাজু গং এর সাথে আরেকটি বায়নামা দলিল করে রেখেছেন বিক্রী করবেন বলে। ভূমি দস্যু সাজু আহমদ এর সাথে না পেরে আখতার হোসেন কাওছার ।ভুমি দস্যু সাজু গং দের বিরুদ্ধে ১০.০৯.২০২০ ইং তারিখে জিডি করার পর শাহপরান থানার এ এস আই নুরুল হক সাময়িক কাজ বন্ধ করতে সক্ষম হলেও ১৫.০৯.২০২০ গভীর রাতে কাজ আরম্ভ করে ও পুরো রাত কাজ করে, ভোর বেলা এ এস আই
নুরুল হক কর্মস্থলে ট্রাক মাটি ফেলতেছে পেয়ে ট্রাকটি থানায় জব্দ করেন পরের দিন গ্রাম্য পঞ্চায়েত জামিন হয়ে আর কোন কাজ হবে নামর্মে অঙ্গিকারবদ্ধ হয়ে ট্রাকটি ছাড়িয়ে আনেন। উল্লেখ্য এই ট্রাকের মালিক ও সাজু আহমদ যিনি থানার নিষেধাজ্ঞার পরও কাজ করাচ্ছিলেন। পরবর্তিতে ১৬.০৯.২০২০ ইং তারিখে এডিএম কোর্ট কর্তৃক ১৪৫ ধারায় নিষেধাজ্ঞা জারী করা হলে পরে কাজ সাময়িক বন্ধ করে, কিন্তু ২৮.০৯.২০২০ ইং তারিখে আবারও রাত ১০ টায় কাজ শুরু করেছে খবর পেয়ে কাওছার সাহেব শাহপরানথানার এস আই শফিক ও সাথে দুজন কনস্টেবল নিয়ে স্পটে হাজির হন। এ সময় মিস্ত্রিরা কাজ ফেলে চলে গেলেও সাজু আহমদের তালই গেদাই মিয়া ও মাওই শেলি বেগম সাথে তাদের দলবল নিয়ে অস্ত্রসস্ত্রে সহ্যিত হয়ে পুলিশের সামনেই কাওছার সাহেবকে গালমন্দ করে নাজেহাল করে এট্যাক করার চেষ্টা করে এবং চাঁদাবাজী ও ডাকাতির মামলা দিবে বলে হুমকি দেয়।পরবর্তিতে গত ০৮.১০.২০২০ ইং তারিখে সাজু আহমদ বাদী হয়ে আখতার হোসেন কাওছারকে বিবাদী করে বিবিধ মামলা ১৫২/২০২০ একটি সম্পুর্ণ মিথ্যা মামলা দায়ের করে যার কোন সংশ্লিষ্টতাই নাই বলে জানান আখতার হোসেন কাওছার ।বিক্রেতা কোম্পানির নেই।পরিচালকগন ও তাদের ক্রেতারা শহরের সালিশানের কথা, থানার জিডি, মহামান্য বিজ্ঞ
আদালতের নিষেধাজ্ঞা কিছুই যখন মানতেছে না। আখতার হোসেন কাওছার আবারও স্থানীয় মেম্বার ও পঞ্চায়েতের শরনাপন্ন হন, ইউপি চেয়ারম্যানকে ও বিষয়টি অবগত করেন, পরিশেষে স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন মীরেরচক গ্রামের
পঞ্চায়েতসহ জায়গারবৈধ অবৈধ দাবিদার চারপক্ষকে নিয়ে গত মঙ্গলবার ২৭.১০.২০২০ ইং তারিখে তার নিজ বাড়িতে বৈঠক করে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হন যে, পরেরদিন বুধবার ২৮.১০.২০২০ ইং তারিখে সবাই যার যার কাগজাদীসহ ১০ হাজার টাকা করে আমানত করবেন। বিশেষজ্ঞগণ কাগজাদী পর্যালোচনা করে সালিশানগন একটি সমাধানে পৌছতে পারবেন। পরেরদিন শুধুমাত্র আখতার হোসেন কাওছারের
পক্ষ থেকে কাগজাদী ও আমানতের টাকা জমা হলেও বাকি সাজু গং পক্ষগণ কোন কিছু জমা দেন নি উপরন্তু বৃহস্পতিবার ২৯.১০.২০২০ ইং তারিখে নালিশা ভুমিতে আবারো জোরপুর্বক কাজ শুরু করে দেন। খবর পেয়ে স্থানীয় পঞ্চায়েতের সালিশানগন মেম্বার সাহেবসহ ঘঠনাস্থলে উপস্থিত হলে মিস্ত্রীরা একটি কাগজ দেখিয়ে বলে এই দেখেন কোর্টের অনুমতি রয়েছে।মেম্বারসাহেব কাগজটি পড়ে দেখেন এটি একটি
প্রতিবেদন যা এ এস আই নুরুল হক আদালতে পাঠিয়েছিলেন।এই সময় সাজু আহমদের দলবল মারমুখি হয়ে পঞ্চায়েতের মুরুব্বিদের সাথে প্রচন্ড বাকবিতন্ডা ও হাতাহাতি শুরু করে ক্ষান্ত হয় নাই, সাজু আহমদ স্থানীয় মেম্বার সাহেবকে কঠুকথা ও অশ্রাব্য ভাষায় গালমন্দ করে পুরো পঞ্চায়েতকে হুমকি প্রদর্শন করে ও চাঁদাবাজির মামলা দিবে বলে হুমকি দেয়,পরে এ এস আই নুরুল হক ঘঠনাস্থলে এসে
দুপক্ষকে শান্ত করেন এবং বিষয়টি মেম্বার সাহেবের মাধ্যমে পঞ্চায়েতি সমাধান করার পরামর্শ দেন। ইতোমধ্যে সাজু গং চাঁদাবাজীর মামলা দিলে মীরেরচকবাসী গত ৩০.১০.২০২০নালিশা ভুমির সন্নিকটে বিরাট প্রতিবাদ সভা করেন ও সাজুকে ভূমি দস্যু হিসেবে চিহ্নিত করেন।

এখানে প্রথমত কোম্পানির পরিচালকগন চরম জালিয়াতি করে তাদেরই সহযোগী গেদাই মিয়া ও তার পুত্রা ভুমিদস্যু সাজু আহমদ ও আব্দুল মালিককে জাল দলিলের মাধ্যমে জোরপুর্বক দখলবাজি ও আইন অমান্য করে অশান্তি সৃষ্টি করে চলেছে। এসমস্থ ঘঠনার মুল হোতা কোম্পানির
পরিচালকগনের বিরুদ্ধে পৃথক জালিয়াতি ও প্রতারনার মামলা হয়েছে বলে জানা যায়। কোম্পানি ও তাদর সিন্ডিকেটরা প্রবাসীদের জমি আত্মসাতের যে প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এলাকার বিজ্ঞমহল মনে করেন প্রবাসীদের সাথে এরূপ প্রতারনা আমাদের দেশে বিনিয়োগ থেকে
প্রবাসীদেরকে চরম ভাবে নিরুৎসাহী করবে এবং বাংলাদেশ প্রচুর বৈদেশীক রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত হবে। এ বিষয়টি নিয়ে এলাকায় এখন থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে, যে কোন সময় দুনুপক্ষ ধারা আইন শৃংখলার অবনতি ঘটারসমুহ সম্ভাবনা রয়েছে।এক্ষেত্রে শান্তিশৃংখলা বজায় রেখে ভুমিদস্যুদের কবল থেকে রক্ষা করে বৈধ মালিক আখতার হোসেন কাওছার আহমেদ জায়গাটি নিরাপদে ভোগদখল নিশ্চিতকরতে প্রশাসনের সুদৃষ্টি আকর্ষন করছেন।

এ বিষয় নিয়ে প্রোপার্টি বিজনেস পরিচালক এনামুল হকের সাথে কথা বললে তিনি একি জায়গা বার বার বিক্রির কথা অস্বীকার করে বলেন আমাদের কোম্পানির এখানে অনেক জায়গায় রয়েছে যা এলাকার কিছু মানুষ জোরপূর্বক ভোগ দখল করে আসছে।আমি জানতে পারছি এই জায়গা নিয়ে অনেক সমস্যা চলছে তা খুব দ্রুত আমরা বসে সমাধান করব।
এনামুল হক আমাদের কাছে একি জায়গা বার বার বিক্রির কথা অস্বীকার করলে ও তিনি দৈনিক জালালাবাদ পত্রিকা একটি বিজ্ঞপ্তি দেন যে প্রোপার্টি বিজনেস তিন জনের কাছে জায়গা বিক্রি করেছেন বলে।
মীরেরচক এলাকাবাসী বলেন এই কোম্পানি একি জায়গা বার বার বিক্রি করে মানুষের সাথে প্রতারনা করে আসছে। আমাদের এলাকার মানুষদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে,যে কোনো মূহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের র্দুঘটনা, এলাকাবাসী আরো বলেন যদি আমাদের এলাকায় কোনো র্দুঘটনা ঘটে তাহলে সম্পূর্ণ দায়বার নিবে প্রোপার্টি বিজনেস কোম্পানির কর্তৃপক্ষ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন