পৌর নির্বাচন: প্রস্তুতি শুরু করতে তথ্য সংগ্রহ করছে ইসি - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

শনিবার, ৭ নভেম্বর, ২০২০

পৌর নির্বাচন: প্রস্তুতি শুরু করতে তথ্য সংগ্রহ করছে ইসি

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
পৌরসভা নির্বাচনের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরুর লক্ষ্যে দেশের সব পৌরসভার ‘নির্বাচন সংক্রান্ত’ তথ্য সংগ্রহ করছে নির্বাচন কমিশন।

এ লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগকে চিঠি দিয়েছে নির্বাচন আয়োজনকারী সাংবিধানিক সংস্থাটি।

প্রথম সভা, শপথ গ্রহণের তারিখ, মেয়াদোত্তীর্ণের সময়;  সীমানা সংক্রান্ত জটিলতায় আটকে থাকা পৌরসভা, মামলা জটিলতায় নির্বাচন স্থগিত এবং ভোট হয়নি- স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে এমন তথ্য ও সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাওয়া হয়েছে।

ইতিমধ্যেই ইসি উপ-সচিব মো. আতিয়ার রহমান স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে বলে জানান নির্বাচন পরিচালনা শাখার কর্মকর্তারা।

যেসব তথ্য চেয়েছে ইসি

    >> সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পর শপথ ও মেয়াদ উত্তীর্ণের তারিখ;

    >> সীমানা পরিবর্তন বা ওয়ার্ড বিভক্তিকরণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এমন পৌরসভা;

    >> সীমানা বিন্যাসের কারণে স্থগিত বা ভোট হয়নি এমন পৌরসভা;

    >> মামলার কারণে ভোট স্থগিত বা নির্বাচন হয়নি এমন পৌরসভার তথ্য ও                 সর্বশেষ অবস্থা

স্থানীয় সরকার আইন সংশোধনের পর ২০১৫ সালে প্রথম দলীয় প্রতীকে ভোট হয় পৌরসভায়। সেবার ২০টি দল ভোটে অংশ নেয়।

বর্তমানে দেশের ৩২৪টি পৌরসভা রয়েছে।

সর্বশেষ ২০১৫ সালে ২৪ নভেম্বর পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়। ৩৬ দিন সময় দিয়ে ভোটের তারিখ দেওয়া হয় ৩০ ডিসেম্বর। এক দিনে ভোট হয় ২৩৪টি পৌরসভায়। বাকিগুলোয় মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ বিবেচনায় ও বিভিন্ন জটিলতা সেরে ভোট হয়।

মেয়াদ শেষের পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে ভোটের বিধান রয়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার কমার আভাসের মধ্যে ডিসেম্বর-ফেব্রুয়ারির মধ্যে এবার পৌরসভা নির্বাচনের পরিকল্পনা চলছে।

ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব মো. আলমগীর ইতোমধ্যে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে জানান, অক্টোবর থেকে আটকে থাকা স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো শুরু হবে। নভেম্বর থেকে নির্বাচন উপযোগী সব নির্বাচন যথাসময়ে করা হবে।

মার্চে করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আটকে যায়। পাশাপাশি সংসদের শূন্য আসনের ভোট বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রথম ৯০ দিনে করা সম্ভব হয়নি।

সেক্ষেত্রে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতায় সংসদের উপনির্বাচন করা হয়েছে দ্বিতীয় ৯০ দিনের মধ্যে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন