ঘরে ঢুকে চা পানের পর মা-মেয়েকে ধর্ষণ - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২০

ঘরে ঢুকে চা পানের পর মা-মেয়েকে ধর্ষণ

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
২ অক্টোবর রাতে দরজা বন্ধ করে ঘরে ছিলেন মা-মেয়ে। হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের একটি গ্রামে বাড়ি তাদের। টিলাঘেরা নির্জন বাড়ি। রাতে তাদের দরজায় কড়া নাড়েন শাকিল মিয়া। একই এলাকার হওয়ায় শাকিল মা-মেয়ের পূর্ব পরিচিত। বাড়ির গৃহকর্তীকে চাচী বলে ডাকেন শাকিল। শাকিলের পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার পর দরজা খুলেন গৃহকর্তী (মা)।

এরপর দুই সহযোগীকে নিয়ে ঘরে প্রবেশ করেন শাকিল। 'অতিথিদের' চা করে খাওয়ান গৃহকর্তী। পরে পানও খেতে দেন। চা-পান খাওয়ার পর মাঝরাতে গৃহকর্তী (৪৫) ও তার মেয়েকে (২৫) হাত মুখে বেঁধে ফেলে শাকিল, সালাউদ্দিন ও হারুন। পরে মা-মেয়েকে পালাক্রমে ধর্ষণ করা হয়।
 
এ ঘটনায় গ্রেপ্তারের পর সোমবার আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন শাকিল মিয়া (২৫) ও হারুন মিয়া (১৯)। আদালতে জবানবন্দির আগে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ধর্ষণের ঘটনার দায় স্বীকার করেন তারা। জিজ্ঞাসাবাদে শাকিল সে রাতের ঘটনার এমন বর্ণনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

গত শুক্রবার গভীর রাতে চুনারুঘাট উপজেলায় মা-মেয়েকে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। পরদিন শনিবার রাতে ভিকটিম মেয়ে বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। এঘটনায় দুজন গ্রেপ্তার হলেও অপর অভিযুক্ত সালাউদ্দিন এখনও পলাতক রয়েছেন।

এই মামলায় রবিবার বিকেলে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল থেকে মামলার এজাহারনামীয় আসামি শাকিল মিয়া (২৫) ও হারুন মিয়া (১৯) গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তার দুই আসামি সোমবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে হবিগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম সুলতান উদ্দিন প্রধানের আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে তারা ঘটনার দায় স্বীকার করেন। জবানবন্দি রেকর্ড করার পর আদালত আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুই আসামির স্বীকারোক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চুনারুঘাট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) চম্পক দাম সোমবার (৫ অক্টোবর) রাতে বলেন, ‘সোমবার বেলা ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত ভিকটিম মা-মেয়ের জবানবন্দি গ্রহণ করেন আদালত। এরপর বিকেল ৩টা পর্যন্ত গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ায় আসামি শাকিল আহমেদ ও হারুন মিয়া তাদের অপরাধ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে।’

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন