ধোনিকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতার প্রয়োগ করেছেন তিনি - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২০

ধোনিকে বাঁচাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতার প্রয়োগ করেছেন তিনি


স্পোর্টস ডেস্ক:
ভারত তো বটেই, সাফল্যের বিচারে বিশ্ব ক্রিকেটের ইতিহাসেই অন্যতম সফল অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনি। আইসিসি আয়োজিত তিনটি টুর্নামেন্টের ট্রফি জেতা একমাত্র অধিনায়ক ধোনি। এর বাইরে বসেছেন টেস্ট র‍্যাংকিংয়ের শীর্ষস্থানে, জিতেছেন এশিয়া কাপের শিরোপাও।

অথচ এই ধোনির কাছ থেকেই কি না অধিনায়কত্ব কেড়ে নেয়ার চিন্তা করেছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) নির্বাচকরা। তাও কি না ২০১১ সালের বিশ্বকাপ জেতার দুই সিরিজ পর! তখন এতে বাধা দিয়েছিলেন তখনকার বিসিসিআই প্রধান এন শ্রিনিবাসন, বাঁচিয়েছিলেন অধিনায়ক ধোনিকে।

ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ জেতার পর ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া সফরে গিয়ে টেস্ট সিরিজে ৪-০তে হোয়াইটওয়াশ হয়েছিল ভারত। এ কারণে ধোনিকে অধিনায়ক পদ থেকে সরিয়ে দেয়ার কথা ভেবেছিলেন নির্বাচকরা। সে কথা জানতে পেরে নিজের সর্বোচ্চ ক্ষমতার প্রয়োগ করেই ধোনিকে অধিনায়ক পদে বহাল রাখেন বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে ধোনির অবসরের পর এ কথা জানিয়েছেন শ্রিনিবাসন। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘২০১১ সালের ঘটনা, ভারত সে বছর বিশ্বকাপ জিতেছিল। এরপর অস্ট্রেলিয়াতে গিয়ে আমরা ভালো করতে পারিনি। তো একজন নির্বাচক ধোনিকে ওয়ানডে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দিতে চাইছিল। আমার কথা হলো, আপনি তাকে কীভাবে অধিনায়কত্ব থেকে সরাতে পারেন?’

শ্রিনিবাসন বলতে থাকেন, ‘২০১১ সালের এপ্রিলে ধোনি বিশ্বকাপ জিতেছিল। নির্বাচকরা তখন ভাবেওনি যে ধোনির বিকল্প কে হতে পারে। কিন্তু আনুষ্ঠানিক বৈঠকের আগে আলোচনা চলছিল তাকে অধিনায়কত্ব থেকে বাদ দেয়ার বিষয়ে। আমি তখন বলেছিলাম, ধোনি অধিনায়ক থাকবে না; এমনটা হতেই পারে না।’

সেদিনটি ছিল ছুটির দিন। গলফ খেলতে গিয়ে এ কথা জানতে পেরে বিসিসিআই হেড অফিসে ছুটে যান শ্রিনিবাসন। সে ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ছুটির দিন ছিল। আমি গলফ খেলছিলাম। তখনকার বিসিসিআই সেক্রেটারি সঞ্জয় জাগডাল এসে আমাকে বলল যে, তারা (নির্বাচকরা) অধিনায়ক বাছাই করতে পারছে না। ধোনিকে তারা শুধুমাত্র খেলোয়াড় হিসেবে দলে নিতে চায়। আমি তখন গিয়ে বিসিসিআই প্রধান হিসেবে নিজের সর্বোচ্চ ক্ষমতার প্রয়োগ করে বলি, ধোনিই অধিনায়ক থাকবে।’

পরে সেই দুই সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হওয়া সত্ত্বেও অধিনায়কত্ব নিয়ে সমস্যা হয়নি ধোনি। তিনি আরও ছয় বছর নেতৃত্ব দেন ভারতীয় দলকে। জেতান ২০১৩ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ও ২০১৬ সালের এশিয়া কাপ। এছাড়া ২০১৫ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে ধোনির নেতৃত্বে সেমিফাইনাল খেলেছিল ভারত।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন