২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে রিজভীর ‘খটকা’ - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

শুক্রবার, ২১ আগস্ট, ২০২০

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নিয়ে রিজভীর ‘খটকা’


সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
জড়িত তাহলে আপনাদের আন্দোলনের ফসল মঈনউদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকার চার্জশিটে তারেক রহমানের নাম কেন দেয়নি? রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আইন-আদালত কব্জা করে তারপর তার নাম দিতে হলো। তাতে কি প্রমাণিত হয় না এই মামলায় আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নাম প্রতিহিংসামূলক ভাবে দেয়া হয়েছে। আপনার লোকরাও দিতে পারিনি আপনি এসে দিলেন। আপনার মনের মধ্যে ছটফট করছিল কখন ক্ষমতায় আসবো আর তারেক রহমানকে ধরবো।

তিনি বলেন, 'আমি একজন আইনজীবী হিসেবে যতটুকু দেখেছি কোথাও কোনোভাবে ন্যূনতম কারণে সেখানে তারেক রহমানকে জড়ানোর কোনো সুযোগ নেই। জোর করে তার নাম বলানো হয়েছে মুফতি হান্নানকে দিয়ে। সেই মুফতি হান্নান ১৬৪ ধারায় কিভাবে টর্চার করা হয়েছে তার ওপর, আঙ্গুলের নখ তোলা হয়েছে, পায়ের নখ তোলা হয়েছে সেগুলোর বর্ণনাও দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিএনপির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হলে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় নেয়া যাবে সেজন্য এ হামলা চালানো হয়েছে। এত বোমা ফুটলো, কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর কিছু হয়নি। আমরা এই ঘটনাকে অবশ্যই একটি মর্মান্তিক ঘটনা মনে করি, যারাই করুক তারা অপরাধী। কিন্তু এখানে বিএনপিকে জড়ানো তারেক রহমানকে জড়ানোর একটি মাস্টার প্ল্যান।

রিজভী বলেন, ‘একটি দেশে কত ধরনের চক্রান্ত হতে পারে ১/১১, ৯/১১ তার অন্যতম প্রমাণ। যুক্তরাষ্ট্রে ৯/১১ হয়েছে বুশের সময়। তারা কি বলে বুশ এর সঙ্গে জড়িত ছিল? এই যে বিডিআর হত্যাকাণ্ড আওয়ামী লীগ আসার পরে হয়েছে এখন আমরা যদি বলি এটার জন্য শেখ হাসিনা দায়ী, শেখ হাসিনা এই ঘটনা ঘটিয়েছে।’

এই যে নারায়ণগঞ্জে সাত খুন হয়েছে আমরা কি বলবো এটার জন্য প্রধানমন্ত্রী দায়ী? আসল রহস্য এখানে অনাবিষ্কৃত রয়ে গেছে। যদি সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক সরকার আসে আর সঠিক তদন্ত অব্যাহত থাকে তবে সেটা জানা সম্ভব হবে। তখনই বোঝা যাবে এটার জন্য সত্যিকার অর্থে কারা দায়ী।’

ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুর সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক খন্দকার আবু আশফাকের সঞ্চালনায় স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। এ সময় আরও বক্তব্য দেন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবদুস সালাম আজাদ, নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম, স্বেচ্ছাসেবক দলের মোরশেদ আলম প্রমুখ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন