টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে হাতিয়ার ২০ গ্রাম প্লাবিত - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২০

টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে হাতিয়ার ২০ গ্রাম প্লাবিত

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে বেড়িবাঁধ ভেঙে বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে ভেসে গেছে মানুষের বসতবাড়ি, পুকুরের মাছ, নষ্ট হয়েছে পাকা আউশ ধান।

গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে হাতিয়ার উপজেলার নিঝুম দ্বীপ, সোনাদিয়া, তমরদ্দি, সুখচর, চরঈশ্বর, নলচিরা, হরনী ও চানন্দী ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ সময় জোয়ারের স্রোতে প্রায় ১০ হাজার পরিবারের বসত-ঘর ভেসে যায়। অনেকে বেড়িবাঁধের উপর খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এসব এলাকার প্রায় ৫০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এ বছর বেড়িবাঁধ মেরামত না করায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী সময় এসব এলাকা জোয়ারের পানিতে সহজে প্লাবিত হয়। হাতিয়ার বিচ্ছিন্ন নিঝুম দ্বীপের বনের বিট কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, পর্যটন এলাকা নিঝুম দ্বীপে জোয়ারের পানি উঠে ৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বনের মধ্যে বসবাস করা হরিণের দল লোকালয়ে চলে এসেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৪০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

হাতিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জানান, ১৯৯১ সালের পর থেকে এবারই সর্বোচ্চ জোয়ারের পানি ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে প্রবেশ করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। বার বার তাগিদ দেয়ার পরও বাঁধগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

তিনি আরও বলেন, যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা অপ্রতুল। চাল বা টাকা বরাদ্দ না করে দ্রুত বেড়িবাঁধ গুলো সংস্কার করা দরকার। দলের পক্ষ থেকেও তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছেন। নানাভাবে সহযোগিতা প্রদান করছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই মুহূর্তে তিনি হাতিয়াতে রয়েছেন। টানা বর্ষণে ও অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে নিমজ্জিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি বরাদ্দ চাল বিতরণ করছেন।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সময়ে ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে যাওয়া বাঁধ সংস্কার ও নদী ভাঙন রোধকল্পে ডিপিপি তৈরির কাজ চলছে। তিনি এগুলো সরেজমিনে দেখে যাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে দ্রুত কথা বলবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এর আগে তিনি উপকূলীয় উপজেলার কোম্পানীগঞ্জের চলএলাহী ও সূবর্ণচরের মোহাম্মদপুর এলাকার বিভিন্ন ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন।নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় গত কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে বেড়িবাঁধ ভেঙে বেশ কয়েকটি এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে ভেসে গেছে মানুষের বসতবাড়ি, পুকুরের মাছ, নষ্ট হয়েছে পাকা আউশ ধান।

গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা বর্ষণ ও জোয়ারের পানিতে হাতিয়ার উপজেলার নিঝুম দ্বীপ, সোনাদিয়া, তমরদ্দি, সুখচর, চরঈশ্বর, নলচিরা, হরনী ও চানন্দী ইউনিয়নের প্রায় ২০টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। এ সময় জোয়ারের স্রোতে প্রায় ১০ হাজার পরিবারের বসত-ঘর ভেসে যায়। অনেকে বেড়িবাঁধের উপর খোলা আকাশের নিচে বসবাস করছে। এসব এলাকার প্রায় ৫০ হাজারের বেশি মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

এ বছর বেড়িবাঁধ মেরামত না করায় ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী সময় এসব এলাকা জোয়ারের পানিতে সহজে প্লাবিত হয়। হাতিয়ার বিচ্ছিন্ন নিঝুম দ্বীপের বনের বিট কর্মকর্তা সাইফুর রহমান জানান, পর্যটন এলাকা নিঝুম দ্বীপে জোয়ারের পানি উঠে ৫ ফুট পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বনের মধ্যে বসবাস করা হরিণের দল লোকালয়ে চলে এসেছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য ৪০ মেট্রিকটন চাল বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

হাতিয়ার সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী জানান, ১৯৯১ সালের পর থেকে এবারই সর্বোচ্চ জোয়ারের পানি ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে প্রবেশ করে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে। বার বার তাগিদ দেয়ার পরও বাঁধগুলো সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট বিভাগ।

তিনি আরও বলেন, যে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে তা অপ্রতুল। চাল বা টাকা বরাদ্দ না করে দ্রুত বেড়িবাঁধ গুলো সংস্কার করা দরকার। দলের পক্ষ থেকেও তারা ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে রয়েছেন। নানাভাবে সহযোগিতা প্রদান করছেন।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এই মুহূর্তে তিনি হাতিয়াতে রয়েছেন। টানা বর্ষণে ও অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে নিমজ্জিত এলাকাগুলো পরিদর্শন করছেন এবং ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি বরাদ্দ চাল বিতরণ করছেন।

তিনি আরও জানান, বিভিন্ন সময়ে ঘূর্ণিঝড়ে ভেঙে যাওয়া বাঁধ সংস্কার ও নদী ভাঙন রোধকল্পে ডিপিপি তৈরির কাজ চলছে। তিনি এগুলো সরেজমিনে দেখে যাওয়ার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে দ্রুত কথা বলবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

এর আগে তিনি উপকূলীয় উপজেলার কোম্পানীগঞ্জের চলএলাহী ও সূবর্ণচরের মোহাম্মদপুর এলাকার বিভিন্ন ভাঙন এলাকা পরিদর্শন করেন।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন