মাইক্রোসফটের সঙ্গে যৌথভাবে টিকটক কিনতে চায় ওয়ালমার্ট - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২০

মাইক্রোসফটের সঙ্গে যৌথভাবে টিকটক কিনতে চায় ওয়ালমার্ট

সংবাদ প্রতিদিন ডেস্ক:
চিনে তথ্য পাচারের অভিযোগ তুলে টিকটক নিষিদ্ধ করতে চেয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। মাইক্রোসফটের টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের অংশ কিনে নেয়ার প্রস্তাব তিনি প্রথম দিকে নাকচ করে দিয়েছিলেন। তবে তার পরামর্শকরা তাকে বোঝাতে সক্ষম হন, এ ধরনের সিদ্ধান্ত তরুণ ভোটারদের মধ্যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করবে। কারণ তাদের অনেকেই ট্রাম্পের সমর্থক, সেই সঙ্গে টিকটক ব্যবহারকারীও। ট্রাম্প পরামর্শকদের কথা শুনে মাইক্রোসফটের টিকটক ক্রয়ের বিষয়টিকে অনুমোদন দেন।

টিকটক কেনার সম্ভাব্য ক্রেতাদের মধ্যে এখন অন্যতম প্রযুক্তি সংস্থা মাইক্রোসফট। তবে মাইক্রোসফটের সঙ্গে যৌথভাবে টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা কিনতে ওয়ালমার্টও আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) পদত্যাগ করেছেন টিকটকের প্রধান নির্বাহী কেভিন মায়ার। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ওয়ালমার্টের পক্ষ থেকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়। মাইক্রোসফট ছাড়াও টুইটার ও ওরাকল টিকটক কেনার বিষয়ে আগ্রহী।

এক বিবৃতিতে ওয়ালমার্ট জানিয়েছে, মাইক্রোসফটের সঙ্গে যৌথভাবে টিকটকের যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা কিনতে পারলে অসংখ্য ক্রেতার কাছে পৌঁছানো যাবে। ওয়ালমার্ট ও মাইক্রোসফটের অংশীদারিত্ব যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক ব্যবহারকারীদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারবে। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি নিয়ন্ত্রক সংস্থার আস্থাও অর্জন করবে।

সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝি থেকে টিকটকের মালিকানাধীন চীনা প্রতিষ্ঠান বাইটড্যান্সের সঙ্গে কোনো ধরনের আর্থিক লেনদেন করা যাবে না বলে এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষর করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ওই নিষেধাজ্ঞা চ্যালেঞ্জ করে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষণার কয়েকদিনের মধ্যে সরে দাঁড়ালেন টিকটকের প্রধান নির্বাহী। আপাতত মায়ারের দায়িত্ব পালন করবেন সংস্থার জেনারেল ম্যানেজার ভ্যানেসা পাপ্পাস।

যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে টিকটকের ব্যবসা গোটাতে চলেছে বাইটড্যান্স। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এ সংক্রান্ত চুক্তি সেরে ফেলতে চাইছে সংস্থাটি। এই লেনদেনের পরিমাণ হতে পারে ২০ থেকে ৩০ বিলিয়ন ডলার।

গত কয়েক মাস ধরেই আলোচনায় চিনের বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন ভিডিও শেয়ারিং অ্যাপ টিকটক। পূর্ব লাদাখের গলওয়ানে সংঘাত পরবর্তী পরিস্থিতিতে দেশের নিরাপত্তার পক্ষে বিপজ্জনক আখ্যা দিয়ে জনপ্রিয় এই চীনা মোবাইল অ্যাপটি নিষিদ্ধ করে ভারত। সেই সঙ্গে আরও বেশকিছু চীনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়। এরপর যুক্তরাষ্ট্রও একই পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নেয়।

ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের অভিযোগ, টিকটকের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের যাবতীয় তথ্য হাতিয়ে নিয়ে চিনের কাছে পাচার করছে বাইটড্যান্স। যদিও সংস্থাটির পক্ষ থেকে এ অভিযোগ বারবার অস্বীকার করা হয়েছে। তবে তাতে কোনো লাভ হয়নি।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন