নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভিড়, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি - Sangbad Protidin | সংবাদ প্রতিদিন

ব্রেকিং নিউজ

মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২০

নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে ভিড়, উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

নিজস্ব প্রতিনিধি:  
করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে সিলেটের পর্যটনকেন্দ্রগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। এসব স্থানে পর্যটকদের যাতায়াতে নিষাধাজ্ঞাও দেওয়া হয়েছে। তবে এই নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করেই ঈদুল আযহার ছুটিতে সিলেটের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ভিড় করেছেন অসংখ্য পর্যটক।

সোমবার (৩ আগস্ট) সিলেটের বিভিন্ন চা বাগান, গোয়াইনঘাট উপজেলার বিছনাকান্দি ও জাফলংয়ে গিয়ে দেখা গেছে পর্যটকদের ভিড়। স্বাস্থ্যবিধি না মেনেই তারা জড়ো হয়েছেন এসব স্থানে। বেশিরভাগ পর্যটকদের মুখেই নেই মাস্ক।

তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঈদে পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে জড়ো হওয়া পর্যটকদের সকলেই সিলেটের বাসিন্দা। বাইরের জেলা থেকে এবার কেউ আসেননি।

করোনা সংক্রমণের প্রেক্ষিতে গত ১৮ মার্চ থেকে পর্যায়ক্রমে সিলেটের বিভিন্ন উপজেলার পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে উপজেলা প্রশাসন। সেই নিষেধাজ্ঞা এখনও বলবৎ রয়েছে।

ঈদের আগে গত ৩০ জুলাই সংবাদ প্রতিদিনের  সাথে আলাপকালে সিলেটের জেলা প্রশাসক এম. কাজী এমদাদুল ইসলাম বলেছিলেন, গত ঈদের মতোই এবারের ঈদে পর্যটন কেন্দ্রগুলোতে নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এই ঈদেও সিলেটের কোনো পর্যটন স্পট খুলবে না। জেলা কোভিড-১৯ বিষয়ক কমিটির সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে পর্যটন স্পট খোলার কোনো নির্দেশনা নেই।

গত ১ আগস্ট সারাদেশে ঈদুল আযহা পালিত হয়েছে। রোববার (২ আগস্ট) পর্যন্ত সরকারি ছুটি ছিলো। সরকারি ছুটি শেষ হলেও এখন ছুটির আমেজ বিরাজ করছে। সোমবার (৩ আগস্ট) সিলেটের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্যবারের তুলনায় এবার পর্যটক সমাগম অনেকটা কম। তবু অনেকেই এসব স্থানে বেড়াতে এসেছেন। পরিবার নিয়েও এসেছেন কেউ কেউ। রোববারও (২ আগস্ট) পর্যটনকেন্দ্রগুলোতে এভাবে মানুষের ভিগ ছিলো বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

কোম্পানীগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমন আচার্য বলেন, পর্যটক যাতায়াতের ক্ষেত্রে আমরা বিশেষ নজরদারি রেখেছি। এ জন্য স্থানীয় লোকজন ছাড়া বাইরের মানুষজনের যাতায়াত নেই।

গোয়াইনঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুস সাকিব বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনসমাগম এড়াতে গত ৩০ মার্চ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় পর্যটকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। ওই নির্দেশনার কারণে ঈদুল ফিতরে পুরোপুরি পর্যটকশূন্য ছিল জাফলং। এবারের ঈদে পরিস্থিতির কিছু পরিবর্তন হওয়ায় আমরা পর্যটনকেন্দ্রে যাতায়াত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ না করে নিরুৎসাহিত করছি। এই শিথিল অবস্থায় কিছু মানুষের ভিড় হচ্ছে। তবে বাইরের মানুষজন এখনো শূন্য।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন